করলা অনেকে একে করল্লা, উচ্ছা, উচ্ছে বলেও ডাকেন। একটু তিতা স্বাদ বলে এই সবজিটি কেউ কেউ খেতে চান না, অনেকে তিতা হলেও শুধু পুষ্টিগুণ ও উপকারিতার কথা ভেবে খেয়ে থাকেন। আবার কারো কাছে খাবার হিসেবেই প্রিয়। তবে করলার পুষ্টিগুণ ও উপকারিতার কথা জানলে হয়তো আপনি চমকেও যেতে পারেন। কারণ এই করলার মধ্যেই আছে অনেক রোগ প্রতিরোধের শক্তি।

প্রথমত করলায় যথেষ্ট পরিমাণ বিটা ক্যারোটিন রয়েছে, যা ব্রুকলির চেয়ে দ্বিগুন। রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। পালংশাকের দ্বিগুণ ক্যালসিয়াম এবং কলার চেয়ে দ্বিগুণ পটাশিয়াম রয়েছে এই করলায়। আর ভিটামিন সি? সেটিও করলায় যেমন আছে যথেষ্ট পরিমাণে রয়েছে ভিটামিন বি ক্লমপ্লেক্স, ফলিক এসিড, জিঙ্ক, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম।

১. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে করলা।
২. ব্লাড ও ইউরিন সুগার নিয়ন্ত্রণে দারুণ কাজ করে এই সবজিটি ।
৩. হার্ট ভালো রাখা এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে করলার পটাশিয়াম।
৪. দাঁত ও হাড় ভালো রাখার ক্যালসিায়ামেরও যোগান পাওয়া যায় করলা থেকে।
৫. ত্বক ও চুলকে সুস্থ রাখতে ভিটামিন সি’র ও যোগান দেয় করলা।
৬. ফাইবার সমৃদ্ধ করলা কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা কমায়।
৭. এলার্জি প্রতিরোধে এর রস দারুণ উপকারি।
৮. চোখের দৃষ্টি শক্তি ভালো রাখতে সহায়তা করে করলার বিটা ক্যারোটিন।
৯. করলার আয়রন রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সহায়তা করে এবং
১০. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে করলা নানা ধরণের ইনফেকশন থেকেও রক্ষা করবে আপনাকে।

ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে করলার রস ও করলা সিদ্ধ খেতে পারেন। ১০টি গুণের বাইরেও টনিকের মত কাজ করা এ সবজিটির রয়েছে আরও ছোট ছোট অনেক গুণ। কাজেই খাবারের তালিকায় নিয়মিত রাখুন অসাধারণ এই সবজিটি।